BD SYLHET NEWS
সিলেটমঙ্গলবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:৫৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জার্মানিতে ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব-তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা


মার্চ ১২, ২০২২ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিডি সিলেট ডেস্ক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ভার্চুয়াল সভায় করোনা মহামারি উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন বক্তারা।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত শাহেদ আকতার, জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক পিটার সিনঙ্গেল।

এছাড়া জার্মানি, চেক রিপাবলিক ও কসোভোতে বসবাসরত প্রবাসী, পেশাজীবী বাংলাদেশি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া সুধী-জনদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটির ব্যাপ্তি ১৮ মিনিটের কিছু বেশি সময়ের হলেও এর মধ্যে গত দিনে বাংলার মানুষের প্রতি পাকিস্তান সরকারের বৈষম্য, শোষণ ও বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণাধীকারের জন্য আন্দোলনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে পাকিস্তানি শাসকদের ষড়যন্ত্রের মুখে বাংলার জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের দিকনির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, মূলত বঙ্গবন্ধু তার এই ভাষণের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আজ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক এই ভাষণটি শুধু দেশের মধ্যে আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়, এটিকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবরে ইউনেস্কো ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা শুরু ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

তিনি জাতির জনকের অতুলনীয় দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি অপরিসীম মমত্ববোধ ও অনন্য সাধারণ নেতৃত্বের গুণাবলীতে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে ভূমিকা পালনের জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

অধ্যাপক পিটার সিঙ্গেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গত ১২ বছরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তার গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের প্রতি তার অতি উচ্চ ধারণা তৈরি হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত শাহেদ আকতার ১৯৭১ সালে কিভাবে বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রবাসীদের অনুপ্রাণিত করেছিল তা তুলে ধরে বিভিন্ন ঘটনা উল্লেখ করেন।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত ৭ মার্চ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী ও দূতাবাসের মিনিস্টার মুর্শিদুল হক খান প্রধানমন্ত্রীর বাণী পড়ে শোনান।

সভায় উপস্থিত জার্মানি, চেক রিপাবলিক ও কসোভো থেকে অংশ নেওয়া বাঙালি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এসময় ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্যসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরা হয়।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।