বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
আবরার হত্যায় জড়িত মুন্নার পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত! কিডনি রোগীরা কী খাবেন না? জনতার হাতে আটক হত্যা মামলার আসামিকে প্রাণে বাঁচাল পুলিশ! হবিগঞ্জে চাচির হাতে আড়াই মাসের ভাতিজা খুন! এক প্রবাসী ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যা, দেশে স্ত্রীর পরকীয়া সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে ঝুমন দাশের জামিন বহাল এইচএসসি পরিক্ষা: পঞ্চম দিনে অনুপস্থিত ৩৭১৮ শাবি থেকে জাতিকে যোগ্য নেতৃত্ব উপহার দিতে চাই : উপাচার্য নাইজেরিয়ায় বাসে আগুন ধরিয়ে ৩০ যাত্রীকে হত্যা দোয়ারায় বিদেশি মদসহ আটক ১ সিলেটে পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধী যুবতীর মৃত্যু এবার ‘ঘর’ থেকেও বহিষ্কার তথ্যপ্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ জাতির পিতার আদর্শে তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে যুবলীগকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কিডনি রোগীরা কী খাবেন না? ‘যতোদিন বেঁচে থাকবো ততোদিন মানুষের জন্য কাজ করতে হবে’
cloudservicebd.com

যে গ্রামে পুরুষদের দুই বিয়ে করতে হয়

FB IMG 1636254311416 - BD Sylhet News

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

পাকিস্তান-ভারত সীমান্তের কাছে রাজস্থানের বাড়মের জেলার ছোট্ট একটি গ্রাম দেরাসর। বড়জোর ৬০০ মানুষের বাস গ্রামটিতে।

কিন্তু এই গ্রামের অদ্ভুত এক রীতি গোটা ভারতে পরিচিতি এনে দিয়েছে। দেরাসরের প্রতিটি পুরুষের অন্তত দু’জন করে স্ত্রী। এ নিয়ে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ গ্রামের বাসিন্দাদের বিশ্বাস, প্রথম স্ত্রী থেকে কোনো স্বামীরই সন্তান হবে না। সন্তানের মুখ দেখতে গেলে দ্বিতীয় বিয়ে করতেই হবে। এই অদ্ভুত বিশ্বাস থেকেই দ্বিতীয় বিয়ে করেন দেরাসর গ্রামের পুরুষরা।

এমন রীতির সূত্রপাত অতীতের একটি ঘটনা থেকে। গ্রামের এক লোকের নাকি কিছুতেই সন্তান হচ্ছিল না। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতেই সন্তানলাভ করেন।

এরপর যখনই গ্রামের কোনো পুরুষ এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতেন, তার দ্বিতীয় বিয়ে দেওয়া হত। আর তাতেই নাকি মিলত ফল। এভাবে পুরুষের বহুবিবাহ গ্রামের রীতিতে পরিণত হয়।

অবশ্য এটি ছাড়াও অন্য একটি কারণ রয়েছে এমন রীতির পিছনে। দেরাসর গ্রামে শুরু থেকেই তীব্র পানি সঙ্কট চলে আসছে। অন্তত পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে পরিবারের নারীদের পানি আনতে হয় এই গ্রামে। অন্তঃসত্ত্বা হলে কোনো নারীর পক্ষেই হেঁটে এতদূর থেকে পানি আনা সম্ভব নয়। সে কারণেও দ্বিতীয় বিয়ে করে থাকেন পুরুষরা।

সে ক্ষেত্রে প্রথমজনকে সে অর্থে স্ত্রীর কোনো অধিকারই দেওয়া হয় না। তারা বরং বাড়ির পরিচারিকার মতো জীবন কাটিয়ে থাকেন। প্রথম স্ত্রীকে বলা হয় ‘জল স্ত্রী’।

সাধারণত প্রথম স্ত্রী সারা জীবনে সন্তানধারণের অধিকার পান না। স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনেরও অধিকার নেই তাদের।

কোনো পুরুষ যদি এই রীতির বিরোধিতা করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে পুরো গ্রাম একজোট হয়। এমনকি নিজের পরিবারও তাকে পরিত্যাগ করবে। গ্রাম থেকেই বিতাড়িত করা হয় তাকে।

দ্বিতীয় স্ত্রীও যদি সন্তানধারণ না করে থাকেন সে ক্ষেত্রে স্বামীকে আরও একটি বিয়ে করতে হয়। উপার্জনকারী স্বামীকে নিতে হয় পুরো পরিবারের দায়িত্ব।

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD