রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
সিলেটে ফিজিওথেরাপির আড়ালে দেহ ব্যবসা!  ভোটকেন্দ্রে সহিংসতার উদ্দেশে জড়ো, অস্ত্রসহ ৩১ যুবক আটক সাঁতার কেটে সিলেটে এসে ধরা পড়লো ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশের নারীরা সারাবিশ্বে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেখা করতে এসে ধরা, কোটি টাকার কাবিনে সমাধান কাশি থেকে রোগ নির্ণয় করবেন যেভাবে বিদেশিদের জন্য ওমরাহ পালনে যে নতুন নিয়ম পরকীয়া ঠেকাতে স্ত্রী অদল-বদল করা হয় যেখানে যুক্তরাজ্যে ঝড়ে গাছ পড়ে দুজনের মৃত্যু তৃতীয় ধাপের এক হাজার ইউপিতে ভোট গ্রহণ আজ ‘আটক হেফাজত নেতাদের মুক্তি আমাদের হাতে নেই, বিচার বিভাগের হাতে’ আমি টাকা পাচার করি না, কারা করে কীভাবে জানব : অর্থমন্ত্রী ইউপি নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে এসএমপির ব্রিফিং প্যারেড সরকার কৃষিখাতে ভর্তুকি দেওয়ায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে : এমপি হাবিব দোয়ারায় বসতঘরে অগ্নিকাণ্ড, দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
cloudservicebd.com

অভিযুক্ত ইকবালকে ধরিয়ে দেন তিন ছাত্রলীগ নেতা

Screenshot 20211022 025315 Facebook - BD Sylhet News

বিডি সিলেট ডেস্কঃ

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ কাজে পুলিশকে সহযোগিতা করেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান মিশু, তার বন্ধু তারেক রায়হান ও সাজ্জাদুর রহমান অনিক।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়। মূলত এ তিন বন্ধু সমুদ্র সৈকতে কৌশলে ইকবালের পরিচয় নিশ্চিত হন। সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযুক্ত ইকবালকে অনুসরণ করেন তারা। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সহযোগিতা নেন।

ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান মিশু বলেন, তিন বন্ধু কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলাম। কিন্তু সুগন্ধায় পরিচয় হয় ইকবাল নামে ছেলেটির সঙ্গে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েক দফা গল্প করেই তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করি। পরে তার কথায় সন্দেহ হলে মূল ঘটনা জিজ্ঞেস করি। এরপর সে পুরো ঘটনা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে। তারপর থেকে কীভাবে তাকে পুলিশে দেওয়া যায় সেই চিন্তা করতে থাকি।

মিশু আরও জানান, রাত ৮টার দিকে আমরা নিশ্চিত হই ইকবালই কুমিল্লার ঘটনার মূল অভিযুক্ত। তারপর পুলিশকে বিষয়টি জানাই। এখন ডিএসবি অফিসে আছি, এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানাব বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

এদিকে গ্রেফতারের পর অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২ পর্যন্ত তার অবস্থান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলামের কক্ষে ছিল। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম বলেন, তাকে আরও কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তারপর কুমিল্লায় পাঠানো হবে। সূত্র – ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD