সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটারের সত্যতা যাচাইপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ খুলছে শাবির হল, শিক্ষার্থী ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার আমেজ ২০২৬ সালে জাতিসংঘ অধিবেশনে সভাপতি প্রার্থী বাংলাদেশ : ড.মোমেন বিশ্ব শান্তির জন্য চাই বিশ্বনবির আদর্শ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের তথ্য ঝুঁকিতে! মাল্টায় ২০ হাজারের বেশি দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ: কৃষিমন্ত্রী সিলেটে ট্যাংকলরির চাপায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত ডলফিন হত্যাকারীদের তথ্য দিলে পুরস্কার দেয়া হবে; পরিবেশমন্ত্রী শিক্ষার্থীরা নেমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে : শামছুল ইসলাম প্রয়াত আবু নছরের বাড়িতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান বড়লেখায় দুই রিয়াজের হাতে জাপা ভারতে ১শ’ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ায় মোদীকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শীর্ষে সাকিব
cloudservicebd.com

সন্তান কোলে নিয়েই শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন মা! ফেসবুকে প্রশংসায় ভাসছেন

Screenshot 20210924 182033 Facebook - BD Sylhet News

বিডি সিলেট ডেস্কঃ

ডানা ত্রিপুরা বান্দরবানের আলীকদমের পানবাজার এলাকার চম্পট পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। নিজের সাত মাসের শিশুকে নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাচ্ছেন, ক্লাস নিচ্ছেন। আর তা দেখে ফেসবুকে তার প্রশংসায় মেতেছেন অনেকে।

ডানা ত্রিপুরা এ বিষয়ে জানান, ‘আমার দুই কন্যা শিশু। বড়টা আড়াই বছর আর ছোটটা সাত মাস চলছে। আমি ছাড়া ওদের দেখে রাখার মতো কেউ নেই। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু বাচ্চাকে দেখে রাখার মতো কাউকে পাইনি। আর যেহেতু ছোট বেবির বয়স ছয় মাস পেরিয়ে গেছে তাই মেটার্নিটি ছুটির জন্যও আর আবেদন করিনি। আমরা তো এমনিতেই বাচ্চা কোলে নিয়ে সংসারের বিভিন্ন কাজ করি, স্কুলের কাজও তো এভাবেই করা যায়। তাই আমার কাছে স্কুলে বাচ্চা নিয়ে যাওয়াটা বেটার মনে হয়েছে। এতে করে আমার শিশুও সুরক্ষিত থাকল আর আমার পেশাগত দায়িত্ব ও পালন করা হলো। আর আমার ডিউটি যেহেতু সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৪টা, সেহেতু এই দীর্ঘ সময় বাচ্চাকে অন্য কারো কাছে রেখে আসলেও দেখা যায়, আমার মন ওর কাছে পড়ে থাকে। পড়ানোটা তখন ফলপ্রসূ হয় না’।

ডানা চাকমা জানান, ‘আমার পরিবার চার সদস্যের। স্বামী-স্ত্রী আর দুই সন্তান। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জুমচাষ করেন। তারা চাইলেও আমাদের সঙ্গে থাকতে পারেন না। আবার আমার মাও কর্মজীবী। আমার হাসব্যান্ড ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত থাকেন। বাসায় সব সময় সময় দিতে পারেন না। তারপরও যেদিন থাকেন সময় দেন। তবে দুজনকে একত্রে সময় দিতে বা সামলাতে পারেন না। তাই বাধ্য হয়েই স্কুলে বাচ্চা নিয়ে যেতে হয়। আর আমার সহকর্মীরা খুবই সহযোগী মনোভাবসম্পন্ন। যদিও চাকরিবিধি অনুযায়ী বাচ্চা নেয়া নিষেধ, তারপরও মানবিকতার দিক থেকে তারা আমাকে সাপোর্ট করেন। আমার যখন ক্লাস থাকে, বাবু ঘুমিয়ে থাকলে তখন যে টিচারের ক্লাস অফ থাকে, তিনি টিচার বাবুর খেয়াল রাখেন। তবে একটা বিষয় আমি সব সময়ই চেষ্টা করি, তা হলো আমার বাচ্চার করণে, ক্লাসের বা স্কুলের পরিবেশের যেন ক্ষতি না হয় তা খেয়াল রাখা, আমি মনে করি এই জায়গাটাতে আমি সাকসেস’।

আর আমার পক্ষে এভাবে ক্লাস নেয়া সম্ভব হয়েছে আমার প্রধান শিক্ষক এবং সহকর্মীদের কারণে।

ডানা ত্রিপুরার প্রশংসা করে ফেসবুকে বিপুল জনপ্রিয় উই গ্রুপে শিরিন সুলতানা লেখেন, ‘আমরা নারী আমরা পারি। নারীরা যে সব পারে তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ আমাদের ডানা পঞ্জি চম্পা (ডানা ত্রিপুরা)। যিনি বাচ্চাকে কোলে নিয়ে তার দায়িত্ববোধ থেকে তার স্কুলের ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্র -দেশ রূপান্তর

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD