রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
প্রতিবন্ধী রাজনের করুণ জীবিকাযুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান নির্বাচন সরকারের অধীনে নয়, নির্বাচন হয় কমিশনের অধীনে : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বাংলাদেশে এসে গান গাইতে চান ‘মাগে হিতে’র শিল্পী সিলেটে আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম’র যাত্রা শুরু স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের যুবক খুন মৌলভীবাজারে ভাইকে বাঁচাতে ভাইয়ের কিডনি দান সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদে আবেদন আহ্বান এসপিএল ২০২১ আয়োজক কমিটির সাথে ডা: শিপলুর মতবিনিময় সিলেটের করোনা যোদ্ধাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান ‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ অনুষ্ঠান বন্ধ করলেন ওবায়দুল কাদের বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের সাইট পরিদর্শনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কয়েসের পদ বহাল সিলেট জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টিকার দাবিতে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রবাসীদের বিক্ষোভ
cloudservicebd.com

‘একটা মেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, সেটা আমি হতে দিতে পারি না’

FB IMG 1628917683232 - BD Sylhet News

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিয়ে করতে যাওয়ার সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বরসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। বরের বোন ও ভাগ্নির অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যেই ছেলেকে হাসপাতাল থেকে বিয়ে করতে পাঠালেন মা!

বৃহস্পতিবার রাতে ভারতের বিহার রাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

রাজ্যের লাচ্ছোর গ্রামে বিয়ে করতে যাচ্ছিলেন বাবুরাম কর্মকার। পথে করনদিঘি থানার বিলাসপুর এলাকায় একটি লরির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বরযাত্রীর গাড়ির। এতে বাবুরামসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বরের বোন ও তিন বছরের ভাগ্নিসহ তিনজনকে।

এদিকে বর দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় বিয়ে ভাঙার উপক্রম হতেই কনেকে ‘লগ্নভ্রষ্টা’ অপবাদে বিদ্ধ করতে শুরু করেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। কিন্তু সামাজিক অনুশাসনের এই রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ওই রাতেই ছেলেকে বিয়ে করতে পাঠান মা চাঁদমনি কর্মকার।

তিনি বলেন, ‘একটা মেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, সেটা আমি হতে দিতে পারি না।’

এরপর লগ্নের রাতেই ছেলেকে হাসপাতাল থেকে বিয়ে করতে পাঠান তিনি। মায়ের নির্দেশ মতো ডান হাতে ক্ষত নিয়েই বিহারের লাচ্ছোর গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন বাবুরাম।

চাঁদমনির কথায়, ‘আজ বিয়ে না হলে মেয়েটাকে সবাই অপয়া বলত। এক জন মা হয়ে এটা আমি হতে দিতে পারি না। বৌমার সামাজিক সম্মান বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ছেলে তো সুস্থই আছে, তাই ওকে বিয়ে করতে পাঠালাম।

সূত্র -আনন্দবাজার পত্রিকা

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD