শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
পূর্ণিমার হাত-পা বাঁধা বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার সন্তান কোলে নিয়েই শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন মা! ফেসবুকে প্রশংসায় ভাসছেন তিন শিক্ষক করোনা পজিটিভ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা সাড়ে তিন হাজার মাদক কারবারি রয়েছে ঢাকায় গরু চুরি কেন্দ্র করে মাদাগাস্কারে সংঘর্ষে নিহত ৪৬ কোভিড একসময় সাধারণ ঠাণ্ডা-জ্বরে পরিণত হবে: সারাহ গিলবার্ট ভারতে আদালতকক্ষে গোলাগুলিতে নিহত ৪ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ৮ কর্মকর্তার পদায়ন বালাগঞ্জে কামরুল হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা জাতিসংঘ মহাসচিবের দোয়ারাবাজারের মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ ছাতকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত শিক্ষক হাসপাতালে ভর্তি: উপ‌জেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী  যে নামাজে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায় দুই কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক সৌদি প্রবাসী শাহজালাল বিমানবন্দরে আটক
cloudservicebd.com

ছাতকের দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নে নেটওয়ার্কের ভোগান্তি চরমে গ্রাহকদের দুর্ভোগ

mobile 5d73d29eae0a8 - BD Sylhet News

ছাতক প্রতিনিধি:: ছাতকে মোবাইল কোম্পানীর থ্রিজি-ফোর-জি বর্তমানে জিরো জিতে পরিণত হয়েছে। রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ও গ্রামীণের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা চরম হতাশায় পড়েছে। শুধুই ইন্টারনেট নয় কল পর্যন্ত যাওয়া-আসা করে না। করোনাকালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইনের ক্লাসেও যোগ দিতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। সিম কোম্পানীই সর্বত্র থ্রিজি-ফোরজি চালুর প্রচার করলেও শুধু মাত্র টু-জিতে সিমাবদ্ধ রয়েছে। বিশেষ করে ছাতক উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নেটওয়ার্ক নিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তি এখন চরমে। পুরো উপজেলায় নেটওয়ার্ক ধীরগতির। অন্য দিকে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নেরর ভুইগাঁওসহ বাকী গ্রামগুলার চিত্র আরো ভয়াবহ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গ্রামীণ ফোন থ্রিজি-ফোরজি, ইচ্ছা হলেই চলো বহুদূর! রবি জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে” গণমাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে নজর কাড়তে সক্ষম হলেও কাঙ্খিত সেবা দিতে পারছে না এ কোম্পানি গুলো। প্রতারণার শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। নিম্নমানের সেবায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের অনেকে। অথচ সেবার নামে নির্ধারিত অর্থ কেটে নিতে এতটুকু কার্পণ্য নেই তাদের। গ্রামীণ ফোন ও রবি সিম ব্যবহার করেন, এমন কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে।

রবি কোম্পানীর সিম ব্যবহারকারী সিয়াম হোসাইন সুলেমান বলেন, ফেসবুক বা কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকতে চাইলে অপেক্ষা করতে হয় টুজি গ্রাহকদের মতোই। থ্রিজি ও ফোরজির কোনো পার্থক্য বুঝতে পারি না। কখনও থ্রিজি আবার কখনও ফোরজি’র সিম্বল ভেসে ওঠে। গতি খুবই কম।

অলিউর রহমান গ্রাহক বলেন, দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নে ভুইগাঁও এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানী গ্রামীণ এর চেয়ে রবি’র গ্রাহক অনেক গুণ বেশি হলেও সেবার দিকে রবি অত্যান্ত পিছিয়ে। রবি’র টাওয়ার প্রায় সময় পাওয়ার শূন্য হয়ে থাকে। এ বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পেতে ছাতকে আশংকাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে রবির গ্রাহক। রবি সিম বদলে গ্রাহক হচ্ছে অন্যান্য অপারেটরের।

ছাতক প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ বলেছেন, প্রতিটি কোম্পানি সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারনা করছে। অনেক সময় দেখা গেছে এমবি নেওয়ার পর এমবি উধাও।

কোম্পানীগুলোর বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে যার ফলে যে কোন মুহুর্তে থ্রিজি নামে প্রতারনা বন্ধে ও নেটওয়ার্ক কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করতে আন্দোলনে যেতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করেছেন। তাই দ্রুত পুনরায় ফোর-জি সার্ভিস এর মাধ্যমে গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্ক সবসময় সচল রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন গ্রাহকরা।

তথ্য অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ছাতকে মোবাইল কোম্পানীর থ্রিজি-ফোরজি নেটওয়ার্ক থাকলেও বর্তমানে ইন্টারনেট গতি জিরো জিতে পরিণত হয়েছে। এমনকি সাধারণ কল পর্যন্ত যায় না। অনেক চেষ্টা করে কল গেলেও এক মিনিটের অধিক কথা বলা যায় না। এভাবেই ছাতকের প্রতিটি ইউনিয়নের মানুষ বোবা হয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছে।

ছাতকে সর্বাধিক গ্রাহক নিয়ে প্রথম থাকা গ্রামীণফোন, রবি ও এয়ারটেল কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা চরম হতাশায় পড়েছে। গত গত কয়েকমাস ধরে এ কোম্পানীই সর্বত্র থ্রিজ-ফোরজি নেটওয়ার্ক আপন শক্তি জ্বলে উঠার প্রচারে দাবিদার রবি ও এয়ারটেল ইন্টারনেট দামাকা অফার খামাকা অফার নানাবিধ লোভনীয় ম্যাসেজে অতিষ্ট নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনা থেকে রেহায় নেই গ্রাহকের।

এখানে নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট গতির কোন পরিবর্তন নেই রবি ও এয়ারটেল কাস্টমার কেয়ার এবং কোম্পানির সেলস অফিস। রবি ও এয়ারটেলের প্রচার বিজ্ঞাপনে দেখা যায়,“জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে” প্রতারনার এ বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকের নজর কাড়তে সক্ষম হলেও কাংখিত ফলাফল থেকে বঞ্চিত গ্রাহকরা।

করোনাকালে হোম কোয়ারান্টাইনের মত দুঃসময়েও নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনা থেকে রেহাই নেই মানুষের। সেবার মান না থাকলেও তাদের দেওয়া ক্রয়কৃত ইন্টারনেট অফার ব্যবহারে অক্ষম বান্ডিল মিনিট ও ইন্টারনেট বান্ডিলের মেয়াদ ঠিকই শেষ হয়ে যায়। সেবার নামে নির্ধারিত অর্থ কেটে নিতে এতটুকু কার্পণ্য নেই তাদের। ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ গ্রাহক। কিন্তু এ নিয়ে রবি ও এয়ারটেল কাস্টমার কেয়ারে সরাসরি এবং ফোনে বারবার অভিযোগ করার পরও কোন সুরাহা হচ্ছে না বলে ক্ষুব্ধ হয়ে জানান ভুক্তভোগীরা।

এদিকে ইন্টারনেট বিড়ম্বনার শিকার অনেকে জানান, যেকোন সময় সেবার নামে প্রতারণা বন্ধে ও নেটওয়ার্ক কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করতে গ্রাহক সমাবেশ কিংবা রবি ও এয়ারটেল সিম পুড়িয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে যেতে পারে তারা। তাই দ্রুত সময়ে ইন্টারনেট সেবায় থ্রিজি-ফোরজি গতি বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্ক সচল রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা।

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD