শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
সিলেট নগরী থেকে হেফাজত নেতা শাহীনূর পাশা গ্রেফতার কানাইঘাটে ধান কর্তন উৎসবের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক লিটিল হোপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পরশ-নিখিলের নেতৃত্বে যুবলীগ মানবতার এক অনন্য উদাহরণ: নাদেল সিলেট নগরীতে প্রবাসীদের উদ্যোগে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রায়হান হত্যায় মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এসআই আকবরের! ১শ ৬ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সিলেট মেরিন একাডেমির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করুন : প্রধানমন্ত্রী বড়লেখায় নিসচা উপজেলা শাখার অর্থ সম্পাদক মাছুমের ১৩তম রক্তদান সাবেক সাংসদ সেলিমের জানাযা ছেলে-মেয়েরা আমেরিকা থেকে আসার পর রিকশাচালককে নির্যাতনকারী সেই সুলতানকে জেলহাজতে প্রেরণ মোমেন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাবা শরিফের হাজরে আসওয়াদের রহস্যময় ছবি প্রকাশ ইনজেকশন দিয়ে তরমুজে কি কিছু মেশানো হয়? যা জানা গেল এই ঈদেও ১০টি গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান
cloudservicebd.com

জুম্মার নামাজ পরার অপরাধে হবিগঞ্জে এক যুবককে চাকুরিচ্যুত করা হয়! (ভিডিওসহ)

20210501 015453 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট ডেস্ক:: হবিগঞ্জে আরএফএল বেস্ট বাইয়ে কর্মরত একজন সেলস এক্সিকিউটিভ শোরুম বন্ধ করে জুমার নামাযে যাওয়ায় চাকুরি হারাতে হয়েছে। এই ঘটনা তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিষয়টি। ঘটনাটি শেয়ার করার সাথে সাথে নেটিজেনরা প্রতিবাদ শুরু করেছে।

তিনি তার স্ট্যাটাসে লিখেন,

আমি মারুফ খান,আরএফএল বেস্ট বাই, হবিগঞ্জ সদর শোরুমের একজন সেলস্ এক্সিকিউটিভ।

আমি একজন মুসলমান! নামাজ আদায় করা আমাদের ইসলাম ধর্মে প্রত্যেকের জন্য ফরয। আর সেই ফরয নামাজ (পবিত্র জুম্মার নামাজ) পড়তে যাবার অপরাধে আজ  আমাকে শোরুম থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

আজান পরার পর আরএফএল বেস্ট বাই শোরুম, আমাদের হবিগঞ্জ সদরের শোরুম ম্যানেজারকে ফোন দেই কিন্তু উনি ফোন না ধরে কেটে দেন। উনি ফোন ধরবেন কিভাবে উনি তো প্রতিদিনের ন্যায় কাজ ছেড়ে বাহিরে গিয়ে আরাম করছিলেন। উনি ফোন না ধরাতে আমি কাপড় বদলিয়ে আমরা ৩জন শোরুম বন্ধ করে মসজিদে চলে যাই। ঠিক ঐ মূহুর্তে ম্যানেজার আমাকে ফোন দিয়ে বলেন যে, আমি কার অনুমতি নিয়ে শোরুম বন্ধ করছি, সে আমাকে বলে যে আমি চাকরি করতে চাই না নামাজ পড়তে চাই?

আমি তখন বললাম স্যার চাকরি করি বলে কি আমাকে নামাজ ছেড়ে দিতে হবে?

উনি আমাকে ঐ কথা শুনে হুমকি দেন যে আমাকে ঘাড় ধরে শোরুম থেকে বের করে দিবেন এবং আমাকে চাকরি থেকেও বের করে দিবেন।ঐ মূহুর্তে আমি নামাজ না পড়ে মসজিদ থেকে চলে আসি এবং আইসা শোরুম খুলি।তখন ম্যানেজার আইসা আমাকে শোরুম থেকে বের হয়ে যেতে বলে।

আমি কিছু বুঝে উঠতে না পেরে কি করবো না করবো কোনো কিছু না ভেবে চলে আসি।

শুধুমাত্র মসজিদে গিয়ে পবিত্র জুম্মার নামাজ পড়ার অপরাধে আমাকে কাজ ও শোরুম থেকে বের করে দেয়া হলো।

চাকরি করি তাই বলে কি আমি আমার ধর্ম ও নামাজ আদায় করতে পারবোনা।

নামাজ পড়তে মসজিদে গেছি এটাই কি আমার অপরাধ?
নামাজ পড়া যদি অপরাধ হয়ে থাকে আর সেই অপরাধে যদি চাকুরিচ্যুত হতে হয় তাহলে আমি আমার আল্লাহ ও রাসুলের বিধান পালন করতে গিয়ে সেই চাকরি করবোনা।

দোয়া করবেন,আল্লাহ ভরসা।

এখানে ভিডিও ক্লিক করুন https://www.facebook.com/watch/?v=2914856295440668

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD