শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
কানাইঘাটে ধান কর্তন উৎসবের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক লিটিল হোপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পরশ-নিখিলের নেতৃত্বে যুবলীগ মানবতার এক অনন্য উদাহরণ: নাদেল সিলেট নগরীতে প্রবাসীদের উদ্যোগে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রায়হান হত্যায় মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এসআই আকবরের! ১শ ৬ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সিলেট মেরিন একাডেমির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করুন : প্রধানমন্ত্রী বড়লেখায় নিসচা উপজেলা শাখার অর্থ সম্পাদক মাছুমের ১৩তম রক্তদান সাবেক সাংসদ সেলিমের জানাযা ছেলে-মেয়েরা আমেরিকা থেকে আসার পর রিকশাচালককে নির্যাতনকারী সেই সুলতানকে জেলহাজতে প্রেরণ মোমেন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাবা শরিফের হাজরে আসওয়াদের রহস্যময় ছবি প্রকাশ ইনজেকশন দিয়ে তরমুজে কি কিছু মেশানো হয়? যা জানা গেল এই ঈদেও ১০টি গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান অভুক্ত বানরদের মুখে খাবার তুলে দিলো লোকনাথ ট্রেডিং
cloudservicebd.com

মৃত্যুর সময় এখনো আসেনি, অথচ এরা মরে যাচ্ছে!

FB IMG 1619035716437 - BD Sylhet News

শওগাত আলী সাগর :: এই যে ছবিটা দেখছেন তার নাম কেন্ডাল স্কুটা। কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার এবোটসফোর্ড রিজিওনাল হাসপাতালের একজন নার্স তিনি। মঙ্গলবার রাতে ইনটেনসিভ ওয়ার্ডে ডিউটি সেরে এভাবেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। না, তার স্বজন কেউ মারা যাননি হাসপাতালে।

আগের রাতে হাসপাতালে তার ওয়ার্ডে কোভিড আক্রান্ত একজন রোগীর যন্ত্রণা আর মৃত্যুর দৃশ্য তাকে এতোটাই স্পর্শ করে যে তিনি নিজেকে স্বাস্থ্যকর্মীর বিধিনিষেধের গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখতে পারেননি। হাসপাতাল থেকে বেরিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তার প্রশ্ন- সামান্য, খুবই সামান্য একটা কাজ মানুষ কেন করতে পারবে না! মহামারী নিয়ন্ত্রণের জন্য মানুষের এই সামান্য কাজটুকুই তো যথেষ্ট! নিজের এই ছবিটি তিনি পোস্ট করেছেন ইন্সটাগ্রামে। সঙ্গে নিজের আকুতি জুড়ে দিযেছেন ছবির সাথে। কেন্ডাল স্কুটা তার পোস্টটা লিখেছেন ব্রিটিশ কলম্বিয়াবাসীর উদ্দেশ্যে।

আমার কাছে মনে হয়েছে, এই বার্তাটি তিনি আসলে দিয়েছেন পুরো কানাডিয়ানদের কাছে, পৃথিবীর মানুষের কাছে।

আগের রাতের ডিউটির একটি অভিজ্ঞতার কথাও তিনি লিখেছেন ইন্সটাগ্রামে তার পোস্টে। একজন রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে তার বেদনার্ত মুখ, চিকিৎসক, নার্স অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটাছুটি তাকে ভীষনভাবে স্পর্শ করে। চোখের সামনে ছটফট করতে করতে একজন মানুষের মরে যাওয়ার দৃশ্য তাকে আলোড়িত করে।

হাসপাতালগুলোয় আইসিইউ’র সংকটের কথা তো সবারই জানা আছে। তিনি বলছেন, গত এক বছর ধরেই এই ভাবে  তিনি মৃত্যু দেখে আসছেন। আর এই সব মৃত্যু তিনি আর সইতে পারছেন না। তিনি বলছেন, সবাই ভাবে, কোভিডে কেবল বয়স্করা মরছে। না, তা ঠিক না। এদের কারোই মৃত্যুর সময় এখনো আসেনি, অথচ এরা মরে যাচ্ছে! জীবনকে শুরুই যে করতে পারেনি, চোখের সামনে তার মৃত্যু কিভাবে মানুষ সইতে পারে!

কেন্ডাল স্কুটা লিখছেন, আমি প্রতিদিনই নিজকে প্রশ্ন করি, মানুষ কখন, কবে এই মহামারীকে সিরিয়াসলি নেবে? কখন? তারপর তিনি আবেদন জানিয়েছেন, দোহাই, তোমাদের কাছে ভিক্ষা চাই, অনুরাধ করি, শুধু এই কাজটুকু করো। ঘরে থাকো, মাস্ক পরো আর যখনি সুযোগ পাও ভ্যাকসিন নিয়ে নাও। আমরা যারা হাসপাতালে কাজ করছি আমরা আর নিতে পারছি না। দোহাই তোমাদের, সামান্য কাজটুকু করো।

লেখক : প্রকাশক ও সম্পাদক, নতুন দেশ ডটকম।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD