মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
আজ সাবেক মেয়র কামরানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে আ.লীগ ও পরিবারের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ সাবেক মেয়র কামরানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ,এখনো তিনি মানুষের মনে জনতার কামরান সাবেক মেয়র কামরানের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে সিলেট জেলা আ.লীগের কর্মসূচি সিলেট ৩ আসনকে নান্দনিক রূপে রূপান্তর করবো: হাবিব বিয়ানীবাজারে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় যুবক নিহত বিমান বাহিনী প্রধানকে এয়ার মার্শাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হয়েছে সাবেক মেয়র কামরানের মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ সিলেটে ১০টি ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে আইনজীবী আনোয়ারকে হত্যা করেন স্ত্রী বিয়ানীবাজার থানার খসিরববন্দে বাড়ির সামনে থেকে অপহৃত মেয়েটি উদ্ধার সিলেট সীমান্তে ৪৮ বিজিবি’র ১৪৯ পরিবারকে খাদ্য সহায়াতা প্রদান সাবেক মেয়র কামরানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেট মহানগর আ.লীগের কর্মসূচী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ এমপি’র প্রচেষ্টায় চারখাইয়ে হাইওয়ে থানা হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সাধারন মানুষ সন্তুুষ্ঠ – শফিউল আলম নাদেল নিসচা’র কেন্দ্রীয় সহ সাংঠনিক সম্পাদক মিশুর সাথে বিয়ানীবাজার শাখার মতবিনিময় সভা সিলেট ৩ আসনের নৌকার মাঝি হাবিবকে ফুল দিয়ে বরণ করলেন এড.নাসির উদ্দিন খান
cloudservicebd.com

মিনা পাল থেকে যেভাবে ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী

GBBufkHtvetCmPdlQuazJATAmZW - BD Sylhet News

বিডি সিলেট ডেস্ক:: সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শহুরে মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তরাও কবরীকে যতটা নিজেদের মানুষ হিসেবে ভাবতে পেরেছিলেন, ততটা হয়তো বাংলাদেশের সিনেমা জগতে অন্য কোনো অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে পারেননি।
আর সেজন্যেই ‘মিষ্টি মেয়ে’ নামে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি।

কৈশোর আর যৌবনের পাট চুকিয়ে ফেলার পরও ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে কবরীর সেই গ্রহণযোগ্যতা সবসময়ই ছিল। ২০১১ সালে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন: “এখনও দেখা হলে কেউ কেউ বলে, ‘আপনি ঠিক আগের মতই আছেন।’ কিন্তু কেউ কি কখনো একরকম থাকতে পারে! তখন আমি তাকে বলি যে আপনি আমাকে ভীষণ ভালোবাসেন বলেই এরকম মনে হয়।”

যে কারণে ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে খ্যাতি
অভিনেতা হিসেবে মানুষের হৃদয়ের কাছে যেতে পারা, মানুষের ভালোবাসার পাত্র হতে পারাটাই কবরীর সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন কবরীর সমসাময়িক অভিনয় শিল্পী মাসুদ পারভেজ, যিনি সোহেল রানা হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তার মতে, কবরী তার অভিনয় দিয়ে মানুষকে যতটা প্রভাবিত করতে পেরেছেন, তেমনটা আর কেউ পারেননি।
কবরী

“কবরীকে মানুষ মনে করতো, এই শিল্পীটা আমার শিল্পী। আমার কাছের মানুষ। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কবরীর মত মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি প্রিয় শিল্পী আর কেউ নেই।”
সিনেমার পর্দায় বাংলাদেশি সাধারণ মেয়ে হিসেবে কবরীকে যেভাবে দেখা যেত, বাস্তবের গ্রামীণ নারী বা শহুরে মধ্যবিত্তের ঘরের মেয়ের চরিত্রটা ঠিক সেরকম ছিল। অভিনয় শিল্পী হিসেবে নিজস্ব স্বকীয়তা ও সহজাত প্রবৃত্তি কবরীকে অন্যদের চেয়ে আলাদা অবস্থান দিয়েছে বলে মনে করেন মাহমুদা চৌধুরী, যিনি চার দশকেরও বেশি সময় জড়িত ছিলেন চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার সাথে।

“‘মিষ্টি মেয়ে’ ছাড়া তিনি ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ হিসেবেও খ্যাত ছিলেন। কারণ তার চেহারায়, আচরণে, অভিনয়ে সেই বিষয়টা ছিল। খুব বেশি মেক আপ করতো না, এমনকি চুলটাও একদম সাধারণ একটা মেয়ের মত রাখতো। যার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে খুব আপন হয়ে ধরা দিতো।”
যেভাবে ‘মিনা পাল’ থেকে ‘কবরী’ হয়ে ওঠা
১৯৫০ সালে চট্টগ্রামে জন্ম হয় কবরীর। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের সুতরাং ছবির মধ্যে দিয়ে সিনেমায় অভিষেক, সেসময়ই নতুন নাম হয় কবরী।
বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কবরী বলেছিলেন,

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD