সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
সাবেক মেয়র কামরানের মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ সিলেটে ১০টি ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে আইনজীবী আনোয়ারকে হত্যা করেন স্ত্রী বিয়ানীবাজার থানার খসিরববন্দে বাড়ির সামনে থেকে অপহৃত মেয়েটি উদ্ধার সিলেট সীমান্তে ৪৮ বিজিবি’র ১৪৯ পরিবারকে খাদ্য সহায়াতা প্রদান সাবেক মেয়র কামরানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেট মহানগর আ.লীগের কর্মসূচী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ এমপি’র প্রচেষ্টায় চারখাইয়ে হাইওয়ে থানা হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সাধারন মানুষ সন্তুুষ্ঠ – শফিউল আলম নাদেল নিসচা’র কেন্দ্রীয় সহ সাংঠনিক সম্পাদক মিশুর সাথে বিয়ানীবাজার শাখার মতবিনিময় সভা সিলেট ৩ আসনের নৌকার মাঝি হাবিবকে ফুল দিয়ে বরণ করলেন এড.নাসির উদ্দিন খান বড়লেখায় নিসচার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছয়ফুল আলম পারুল এর কাব্যগ্রন্থ ‘ছন্দপতন’র মোড়ক উন্মোচন সাবেক মেয়র মরহুম বদর উদ্দিন কামরানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ হযরত শাহজালালের মাজারে এবারও ওরস হচ্ছে না আইনি সহযোগিতা মাধ্যেমে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে – জগদীশ দাস স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল
cloudservicebd.com

বিয়ানীবাজারে চাচা খুনের ২২ বছর পর ভাতিজা গ্রেফতার!

20210309 115321 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট :: বিয়ানীবাজারে চাচা আজির উদ্দিনকে খুন করে এলাকা ছাড়েন ভাতিজা আবুল কালাম। আশ্রয় নেন পার্শ্ববর্তী উপজেলা বড়লেখার বিছরাবন্দে। সেখানে বিয়ে করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অনেকটা নিরাপদে চলছিল তার সুখের সংসার। তবে, শেষ রক্ষা হলো না তার। চাচাকে খুনের ২২ বছর পর হাতকড়া নিয়ে শিকলবন্দী হলেন তিনি।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বড়লেখার সুরমা ব্রিকফিল্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।সে মুড়িয়া ইউনিয়নের আভঙ্গি গ্রামের সফর উদ্দিনের পুত্র।

জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিয়ানীবাজার থানার এএসআই জিতু মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ বড়লেখার বিছরাবন্দে অভিযান চালায়। এ সময় ব্রিকফিল্ড থেকে হত্যা মামলার পলাতক আসামী আবুল কালামকে গ্রেফতার করা হয়। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জকিগঞ্জ সার্কেল) সুদীপ্ত রায় ও থানার অফিসার ইনচার্জ হিল্লোল রায় পুরো গ্রেফতার প্রক্রিয়া মনিটরিং করেন।

সূত্রমতে,পূর্ব বিরোধের জের ধরে ১৯৯৯ সালে ভাতিজাদের সাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষে খুন হন একরাম আলীর পুত্র আজির উদ্দিন।এ ঘটনায় আবুল কালামসহ ৫জনকে আসামী করে বিয়ানীবাজার থানায় হত্যা মামলা রুজু হয়।পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে সিলেটের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর ২০০০ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এ মামলার (জিআর-১৮১/৯৯) অপর আসামীরা জেল খেটে বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।এরমধ্যে একজন মারা গেছেন। তবে ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন কালাম।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ হিল্লোল রায় জানান, বিয়ানীবাজার থানার গ্রেফতারি পরোয়ানা তালিকার এক নম্বরে নাম রয়েছে ধৃত আবুল কালামের। তাকে দীর্ঘদিন পর গ্রেফতার করা সম্ভব হওয়ায় জনগণের কাছে পুলিশের পেশাদারিত্ব ও ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হয়েছে। তিনি জানান, মঙ্গলবার (আজ) তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD